সিভি তৈরির সময় কি কি বিষয় খেয়াল করবেন❓

No Comments

 



অনেকের মনেই প্রশ্ন থাকে একি ভালো মানপর সিভি কিভাবে তৈরি করবো? চলুন আজকের এই পোষ্টে জেনে নেই সিভি তৈরিতে কি কি বিষয়ের উপর খেয়াল রাখতে হব। কারন চাকরির জন্য আপনার যোগ্যতা সিভিতে প্রকাশ পায়। তাই কোন প্রতিষ্ঠান বা নিয়োগদাতার কাছে সিভি জমা দেবার আগে এর খুঁটিনাটি যাচাই করে নেয়া প্রয়োজন। এর মাধ্যমে আপনার সিভির গ্রহণযোগ্যতা অনেকাংশে বাড়াতে পারেন আপনি। সিভি তৈরির সময় ও পরে কিছু প্রশ্ন করুন নিজের সিভির ব্যাপারে। তাহলে আপনার সিভির মান সম্পর্কে একটা পরিষ্কার ধারণা পাবেন। এ লেখাতে এমন কিছু প্রশ্নের তালিকা দেয়া হলো। 


 👉 ছবি : 

 ☞সিভিতে সাম্প্রতিক ছবি ব্যবহার করেছেন কি? 

উত্তর হওয়া উচিত “হ্যাঁ”। বিগত ৩-৬ মাসের মধ্যে তোলা ছবি ব্যবহার করুন। 


☞ ছবিটা কি সেলফি? 


উত্তর হওয়া উচিত “না”। সিভিতে প্রফেশনাল ছবি ব্যবহার করা প্রয়োজন। 


☞ ছবিতে পরিষ্কার ও মার্জিত পোশাক পরে আছেন কি? 

উত্তর হওয়া উচিত “হ্যাঁ”। পেশাদারিত্বের অভাব প্রকাশ পায়, এমন কোন পোশাক পরে সিভির ছবি তোলা থেকে বিরত থাকুন। 


 ☞ ব্যক্তিগত তথ্য সিভিতে এমন ইমেইল, ফোন নাম্বার ও ঠিকানা ব্যবহার করেছেন কি যার মাধ্যমে আপনার সাথে সহজে যোগাযোগ করা যায়? 


উত্তর হওয়া উচিত “হ্যাঁ”। 


☞ সিভিতে এমন কোন ব্যক্তিগত তথ্য দিয়েছেন কি যা নিয়োগদাতা জানতে চান নি? 


উত্তর হওয়া উচিত “না”। যেমন, নিজের উচ্চতা বা ওজন সম্পর্কিত তথ্য সিভিতে উল্লেখ করা উচিত নয়। কিছু ক্ষেত্রে এর ব্যতিক্রম ঘটতে পারে।


 👉 শিক্ষাগত যোগ্যতা : 

 ☞ চাকরির যোগ্যতার সাথে সম্পর্কিত শিক্ষাগত যোগ্যতাগুলো আগে উল্লেখ করেছেন কি? 


উত্তর হওয়া উচিত “হ্যাঁ”। 


☞ পড়াশোনার সময় কোন প্রজেক্টে কাজ করে থাকলে তার উল্লেখ করেছেন কি? 


উত্তর হওয়া উচিত “হ্যাঁ”। এর মাধ্যমে আপনার কাজের আগ্রহ সম্পর্কে নিয়োগদাতা একটা ধারণা পাবেন। 


☞ কোন অ্যাকাডেমিক স্কলারশিপ/পুরস্কার থাকলে তা উল্লেখ করেছেন কি? 


উত্তর হওয়া উচিত “হ্যাঁ”। এর মাধ্যমে আপনার প্রতি নিয়োগদাতার ইতিবাচক মনোভাব তৈরি হবার সম্ভাবনা রয়েছে। 


☞ পরীক্ষার ফলাফল (ক্লাস/গ্রেড), পাশের বছর এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নাম সঠিকভাবে উল্লেখ করেছেন কি? 


উত্তর হওয়া উচিত “হ্যাঁ”। ভুল তথ্য – সেটা ইচ্ছাকৃত বা অনিচ্ছাকৃতভাবে হোক – আপনার সম্পর্কে নেতিবাচক ধারণা দেবে নিয়োগদাতাকে। 


 👉 কাজের অভিজ্ঞতা : 

 ☞ চাকরির সাথে সম্পর্কিত কাজের অভিজ্ঞতা আগে উল্লেখ করেছেন কি? 


আপনার যদি কাজের পূর্ব অভিজ্ঞতা থাকে, তাহলে উত্তর হওয়া উচিত “হ্যাঁ”। যে পদের জন্য আবেদন করছেন, তার সাথে সবচেয়ে বেশি সম্পর্কিত কাজের কথা উল্লেখ করুন। 


☞ আপনার আগের কাজের ধরন, দায়িত্ব ও অর্জন নিয়ে তথ্য দিয়েছেন কি? 


উত্তর হওয়া উচিত “হ্যাঁ”। তবে লম্বা বিবরণ দেয়া থেকে বিরত থাকুন। 


☞ কোন স্বেচ্ছাস্বেবী সংগঠনে কাজের অভিজ্ঞতা থাকলে তা উল্লেখ করেছেন কি? 


উত্তর হওয়া উচিত “হ্যাঁ”। এর মাধ্যমে নিয়োগদাতা আপনার ব্যক্তিগত আগ্রহ ও দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে ধারণা পাবেন। 


 👉 দক্ষতা :

 ☞ চাকরির সাথে সম্পর্কিত দক্ষতাগুলো সবার আগে উল্লেখ করেছেন কি? 


উত্তর হওয়া উচিত “হ্যাঁ”। 


☞ আপনার দক্ষতাগুলো কীভাবে চাকরির সাথে সম্পর্কিত, সে ব্যাপারে তথ্য দিয়েছেন কি? 


উত্তর হওয়া উচিত “হ্যাঁ”। তথ্য দেবার আগে চাকরির বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা দক্ষতাগুলো ভালোভাবে পড়ে নিন। এতে করে গোছানোভাবে আপনার তথ্য উপস্থাপন করতে পারবেন। 


☞ অপ্রাসঙ্গিক কিংবা আপনার না থাকা কোন দক্ষতার কথা উল্লেখ করেছেন কি? 


উত্তর হওয়া উচিত “না”। অপ্রাসঙ্গিক দক্ষতার উল্লেখ করলে কিংবা দক্ষতা সম্পর্কে বাড়িয়ে লিখলে হিতে বিপরীত হতে পারে। 


 👉 রেফারেন্স : 

 ☞ যাদের কথা রেফারেন্স হিসাবে উল্লেখ করেছেন, তাদের অনুমতি নিয়েছেন কি? 


উত্তর হওয়া উচিত “হ্যাঁ”। অনুমতি ছাড়া কারো নাম রেফারেন্স হিসাবে ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকুন। 


☞রেফারেন্স হিসাবে যাদেরকে উল্লেখ করেছেন, তাদের সাথে সহজে যোগাযোগ করা যায় কি? 


উত্তর হওয়া উচিত “হ্যাঁ”। নিয়োগদাতা যেকোন সময় আপনার ব্যাপারে রেফারেন্সের ব্যক্তিদের মতামত জানতে চাইতে পারেন। 


☞ আপনার যোগ্যতা ও দক্ষতার সাথে সরাসরি পরিচিত কাউকে রেফারেন্স হিসাবে উল্লেখ করেছেন কি? 


উত্তর হওয়া উচিত “হ্যাঁ”। এক্ষেত্রে আপনার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কোন শিক্ষক কিংবা আগের কর্মস্থানের কোন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার নাম অনুমতি সাপেক্ষে রেফারেন্স হিসাবে ব্যবহার করতে পারেন।