সুইসগিয়ার সম্বন্ধে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা: ২য় পর্ব
সুইচগিয়ারঃ সুইচগিয়ার কোনো একক বস্তু নয়, এটি বৈদ্যুতিক সিস্টেমের স্বাভাবিক কার্যকলাপের সংযোগকারী, বিচ্ছিন্নকারী, রক্ষনাবেক্ষনকারী যন্ত্রপাতির সহ অবস্থানকে বুঝায়।
সুইচগিয়ার উপাদানগুলো হল-
সার্কিট ব্রেকার
রিলে
ইন্সট্রুমেন্ট ট্রান্সফরমার
বাসবার
কন্ডাকটর ইত্যাদি।
সুইচগিয়ার উপাদান
বাসবার
বাসবার: বাসবার হলো তামা বা এলমুনিয়ামের এক ধরনের পরিবাহী বা পাত বা রড যা এক বা একাধিক সার্কিট হতে বৈদ্যুতিক এনার্জি সংগ্রহ করে এবং এক বা একাধিক সার্কিটের মাধ্যমে উক্ত এনার্জি বিতরণ করে।
বাসকাপলারঃ বাসকাপলার মূলত সার্কিট ব্রেকার ও আইসোলেটরের সমন্বয়। বাসকাপলারের চারপাশে ফায়ার ফ্রুপ দেয়াল থাকে।
বাসবার কে কেন সেকশনালাইজড করা হয়?
উত্তর:বাসবারের কোনো অংশে ত্রুটি সংঘটিত হলে সমগ্র বাসবার সিস্টেমের কার্যক্রম যাতে বন্ধ হয়ে না যায় এবং এতে এতে বিভিন্ন সেকশনের সার্কিট ইনকামিং এবং আউটগোয়িং সার্কিটে সুষ্ঠ বন্টনে এ সিস্টেমের সর্বোচ্চ সাফল্য পাওয়া যায়।
ফিউজ:
ফিউজ একটি স্বল্প দৈর্ঘ্য কারেন্ট ক্ষমতা অনুযায়ী সরু ও কম গলনাঙ্ক বিশিষ্ট পরিবাহী তার যা ইলেকট্রিক্যাল সার্কিটে সংযুক্ত থেকে নির্দিষ্ট পরিমানে কারেন্ট বহনে সক্ষম। নির্দিষ্ট পরিমানের চেয়ে অতিরিক্ত কারেন্ট প্রবাহিত হলে ফিউজ নিজে গলে গিয়ে সার্কিট কে রক্ষা করে।
ফিউজের প্রকারভেদ
ফিউজ সাধারণত দুই প্রকার:
Low Voltage Fuse: Semi enclosed re-warble fuse (500A), HRC fuse (16000A – 30000A)]
High Voltage Fuse: Cartridge fuse, Liquid type, Metal clad type, Expulsion fuse, Dropout fuse, horn-gap fuse
সার্কিট ব্রেকার:
সার্কিট ব্রেকার একটি নিয়ন্ত্রন ও রক্ষনাবেক্ষন যন্ত্র যা সার্কিটের অস্বাভাবিক অবস্থায় ত্রুটিপূর্ণ সার্কিটকে সরবরাহ হতে বিচ্ছিন্ন করে সার্কিটকে রক্ষা করে। কিন্তু বিচ্ছিন্ন করার পর এটি সার্কিটকে নিজে নিজে সংযোগ করতে পারেনা। কোনো ব্যক্তির হস্তক্ষেপ করার মাধ্যমে এটিকে পূনরায় কার্যক্ষম করা যায়।
ইন্সট্রুমেন্ট ট্রান্সফরমার: সিটি এবং পিটি কে ইন্সট্রুমেন্ট ট্রান্সফরমার বলে। সিটির দ্বারা কারেন্ট পরিমাপ করা হয় এবং পিটি ভোল্টেজ পরিমাপ করার জন্য ব্যবহার হয়।
রিলে: রিলে এমন একটি ডিভাইস যা কোন বর্তনীর বৈদ্যুতিক বৈশিষ্ট্যের পরিবর্তনের সাপেক্ষে সাড়া দেয় এবং বর্তনীতে সংযুক্ত রক্ষাক ডিভাইস কে কাজ করতে সাহায্য করে।
রিলে বিভিন্ন প্রকারের হয়ে থাকে। যেমন: ওভার কারেন্ট রিলে, ডিরেকশনাল রিলে, ডিফারেনসিয়াল রিলে, আর্থ ফল্ট রিলে।
সার্কিট ব্রেকারের ট্রিপ সার্কিট কে রিলের সাথে সংযুক্ত করা হয়।তাই রিলেকে নিরব প্রহরী বলা হয়। রিলে সিগনাল না দিলে সার্কিট ব্রেকার ট্রিপ করে না।
পেইজে উপরোক্ত বিষয়সমূহ আলাদা ভাবে বিস্তারিত পোস্ট আছে ,দেখে আসতে পারেন।
Electrical Engineering Bangla সাথে থাকার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ। পরবর্তি পোস্টে সুইচগিয়ার সম্পর্কে আরও আলোচনা করা হবে।
